মৌসুমি বায়ুর বিদায়ের পর দেশে গরম কিছুটা বেড়েছিল। তবে ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’র প্রভাবে সেই চিত্র বদলে গেছে। সারা দেশে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। বিশেষ করে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রতিদিনই ক্রমান্বয়ে নেমে আসছে। রাতের তাপমাত্রাও কমে আসায় রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ভোর ও রাতে শীতের আমেজ স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকালও একই স্থানে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। তারা আরও জানিয়েছে, দেশের অনেক জায়গায় ইতোমধ্যে হালকা কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। কোথাও আবার দুপুরের দিকে গরম কিছুটা বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে গরম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে রাজধানীতে অফিসগামী হুমায়ুন ফরিদের সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। তিনি বলেন, “গত সপ্তাহে রাতের ভারী বৃষ্টির পর থেকেই শীতের অনুভূতি পাচ্ছি। এখন কাঁথা ছাড়া ঘুমানো যায় না। সকাল ৮টার দিকে বের হলে বেশ ঠান্ডা লাগে।”
এদিকে, বুধবার (৫ নভেম্বর) আবহাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—
চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, আর ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।
দেশের অন্যত্র আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থেকে প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে, তবে অন্যান্য অঞ্চলে তা সামান্য (১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস) হ্রাস পেতে পারে।



