tanaka

ভরিতে সোনার দাম বাড়লো ২১৫৮ টাকা

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরান যুদ্ধের সময় গোপনে আমিরাত সফর মোসাদ প্রধানের

ইরান যুদ্ধের সময় গোপনে আমিরাত সফর মোসাদ প্রধানের

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া গোপনে অন্তত দুইবার সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন বলে নতুন এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসরায়েলের যুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আমির বারামও একটি নিরাপত্তা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে আমিরাত সফর করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আরব আমিরাতের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গত মার্চ ও এপ্রিলে অন্তত দুইবার আবুধাবি যান মোসাদ প্রধান ডেভিড বার্নিয়া।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তেল আবিব ও আবুধাবির মধ্যে ইরানবিরোধী সামরিক তৎপরতা সমন্বয়ের লক্ষ্যেই এসব গোপন সফর অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ক্যান নিউজ জানিয়েছে, দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেট-এর প্রধান ডেভিড জিনিও সম্প্রতি আমিরাত সফর করেছেন।

এর আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের আরেক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক গোপন হামলায় জড়িত ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত।

সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গত এপ্রিলে ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগারে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই হামলায় আমিরাতের সম্পৃক্ততা ছিল।

গত মাসে প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই আমিরাতে একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করে। এটি পরিচালনার জন্য সেনাও পাঠানো হয় সেখানে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর আবুধাবি জরুরি ভিত্তিতে মিত্রদের কাছে সহায়তা চাইলে গোপনে এই মোতায়েন করা হয়।

ইরান বহুবার অভিযোগ করেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরাসরি আগ্রাসনে ভূমিকা রাখছে। তেহরানের দাবি, আমিরাত তাদের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতির সুযোগ দিয়েছে, ইরানি ব্যক্তি ও স্থাপনা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীকে বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ৪০ দিনের অভিযানের সময় পারস্য উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের ভূখণ্ড ব্যবহারের অভিযোগও করেছে তেহরান। দেশগুলোর মধ্যে ছিল বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান।

এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ওইসব দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কৌশলগত স্থাপনা এবং দখলকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ইরান বরাবরই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনে সহায়তাকারী দেশকে সরাসরি দায়ী করা হবে।

সূত্র: প্রেস টিভি