tanaka

নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জি-৪-এর

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জি-৪ জোট। ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান নিয়ে গঠিত এই জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা...
প্রচ্ছদজাতীয়নামকরণ বিতর্কের মধ্যেই এবার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের নামে স্কুল করার প্রস্তাব

নামকরণ বিতর্কের মধ্যেই এবার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের নামে স্কুল করার প্রস্তাব

দুই ছেলে ও এক ভাতিজির নামে ইউনিয়নের নামকরণের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক এখনো থামেনি। এরই মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নামে বগুড়ার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ রাখার সুপারিশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখায় এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব জমা পড়ে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে মতামত দেওয়ার জন্য বগুড়া জেলা প্রশাসক এবং রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শিরিন আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবটি সরেজমিনে যাচাই করে যৌক্তিকতা, সুস্পষ্ট মতামত এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে শিবগঞ্জ ও নবঘোষিত মোকামতলা উপজেলার কয়েকটি নতুন ইউনিয়নের নামকরণ নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পরিবারের সদস্যদের নামের সঙ্গে মিল রেখে ইউনিয়নগুলোর নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

তবে এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন প্রতিমন্ত্রী। তার দাবি, ইউনিয়নগুলোর নাম স্থানীয় জনগণের মতামত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন জারি হওয়া সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বগুড়ার শিবগঞ্জ ও নবঘোষিত মোকামতলা উপজেলায় চারটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করা হয়। শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি এবং মোকামতলা উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রশাসনিক পুনর্গঠনের পর নতুন ইউনিয়নগুলোর নাম নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

শিবগঞ্জ উপজেলার নতুন ইউনিয়নের নাম রাখা হয় ‘মীরবাড়ী ইউনিয়ন’। অন্যদিকে মোকামতলা উপজেলার নতুন ইউনিয়নগুলোর নাম হয় ‘সীমান্ত ইউনিয়ন’, ‘দিগন্ত ইউনিয়ন’ ও ‘স্বর্ণগ্রাম ইউনিয়ন’।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ‘মীরবাড়ী’ নামটি প্রতিমন্ত্রীর পৈতৃক বাড়ির নাম থেকে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ তার দুই ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং মীর সাকলাইন আলম দিগন্তের নামের সঙ্গে মিলে যায়। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের কাছে ‘স্বর্ণ’ নামে পরিচিত এক ভাতিজির নামের সঙ্গে মিল রেখেই ‘স্বর্ণগ্রাম’ নামকরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

যদিও জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব অভিযোগ নাকচ করে বলেন, নিজের সন্তানদের নামে কোনো ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়নি; বিষয়টি নিছক কাকতালীয়।