tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতি"আমি হতাশ হতে চাই না, কিন্তু পরিস্থিতি বাধ্য করছে" — মির্জা ফখরুল

“আমি হতাশ হতে চাই না, কিন্তু পরিস্থিতি বাধ্য করছে” — মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমি আশাবাদী মানুষ, হতাশ হতে চাই না। কিন্তু তারপরও হতাশ হতে হচ্ছে।”

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সামাজিক সুরক্ষা কতটা সুরক্ষিত?’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “আমি যখন একটি প্রগতিশীল সমাজ গঠনের কথা ভাবি, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্য দূর করার কথা বলি—তখন যদি দেখি সমাজকে উল্টো দিকে টেনে নেওয়া হচ্ছে, চিন্তাগুলোকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং উগ্রতা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন হতাশ না হয়ে উপায় থাকে না।”

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপির ক্ষতিগ্রস্ত নেতা-কর্মীদের সংগঠন ‘অর্পণ আলোক সংঘ’। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তা কখনো কখনো হতাশার জন্ম দিচ্ছে। গণতন্ত্রে মতবিরোধ থাকবে, কিন্তু তা যদি গঠনমূলক না হয়ে বিভ্রান্তিকর হয়, তখন তা ক্ষতিকর।”

প্রান্তিক জনগণের জন্য টেকসই সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে রাষ্ট্র কাঠামোয় মৌলিক সংস্কারের ওপর জোর দেন তিনি। বলেন, “বিচ্ছিন্নভাবে বা জোড়াতালি দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, কৃষি—সবই পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। এসব নির্ভর করে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কাঠামোর ওপর।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে দিয়েছে। এই ধ্বংসাবশেষ এক দেড় বছরে পুনর্গঠন সম্ভব নয়।”

দেশের রাজনৈতিক সংকটের মূল কারণ হিসেবে ভয়াবহ দুর্নীতিকে দায়ী করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “উপজেলা চেয়ারম্যানের কাজ সংসদ সদস্যরা করছেন, যেটা তাদের দায়িত্ব নয়। আইন প্রণয়ন না করে তারা রাস্তা-ঘাট, ভবন উন্নয়ন, এমনকি গাড়ি কেনা নিয়েও সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন। গোটা রাষ্ট্র ব্যবস্থাই এখন দখলের শিকার।”

তিনি অভিযোগ করেন, “আমলারা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। উপদেষ্টারাও অনেক ক্ষেত্রে অসহায়। একজন মফস্বলের শিক্ষককে নিজের সমস্যা সমাধানে ঢাকায় আসতে হয়—যেটা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। কারণ, ঘুষের সংস্কৃতি এই সিস্টেমের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। শিক্ষক, নার্স, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও নিয়োগে ঘুষ দিতে হয়।”