tanaka

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ফোন করলেই মিলছে ইলিশ, গলাচিপায় ১৮ স্থানে বেচাকেনা

মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চললেও পটুয়াখালীর গলাচিপায় থেমে নেই ইলিশ শিকার ও বেচাকেনা। প্রশাসনের অভিযান এড়িয়ে উপজেলার অন্তত ১৮টি স্থানে চলছে ইলিশ কেনাবেচা।...
প্রচ্ছদআদালতবিশ্বজিৎ হত্যা মামলা: দ্রুত শুনানির জন্য আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা: দ্রুত শুনানির জন্য আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

রাজধানীর পুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার দ্রুত শুনানি করতে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সোমবার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট এ মামলায় হাইকোর্টের রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আট আসামির মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। বাকি ছয়জনের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পরিবর্তন করা হয়।

হাইকোর্ট রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপু। অন্যদিকে, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন ও মীর মো. নূরে আলম লিমনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বিচারিক আদালতের দেওয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা থেকে এ এইচ এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফাকে খালাস দেন হাইকোর্ট। তবে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না করায় বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য ১১ আসামির সাজা বহাল থাকে।

তারা হলেন খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন।

যেভাবে হত্যা করা হয় বিশ্বজিৎকে

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮-দলীয় জোটের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন বিচারক এ বি এম নিজামুল হক আলোচিত এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আট আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা তাঁদের সাজা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেন।