tanaka
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকএসআইআরবিরোধী আন্দোলনে ফের মাঠে নামছে ককরোচ পার্টি

এসআইআরবিরোধী আন্দোলনে ফের মাঠে নামছে ককরোচ পার্টি

ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে আবারও বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আগামী ৭ নভেম্বর দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালার কোচি শহরে এ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কর্মসূচির ঘোষণা দেয় সিজেপি। ‘কোচিতে জন্তর মন্তর’ শিরোনামে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশ কোচির রাজেন্দ্র ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৪টায় শুরু হতে যাওয়া কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দলটি এক্সে লিখেছে, ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন! এসআইআর বাতিল করুন! আমাদের সঙ্গে যোগ দিন।’

বিক্ষোভে উপস্থিত থাকবেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এ ছাড়া দলটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রধান বিজয় মাল্লাঙ্গি এবং জাতীয় সম্পাদক আফরিন নওয়াজও কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করতে গিয়ে দলটির নেতারা গ্রেপ্তার হওয়ার পর কোচির এ কর্মসূচিকে সিজেপির প্রথম বড় আন্দোলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে গত মাসে অনুমতি ছাড়া জন্তর মন্তরে বিক্ষোভের চেষ্টা করলে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ কয়েকজন নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস।

পরবর্তী সময়ে জন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেয় সরকার। এর প্রতিবাদে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সেখানে প্রবেশ করেন এবং জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এক সপ্তাহ কারাগারে থাকার পর বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের (এসইএম) কাছে মুচলেকা দিয়ে তারা মুক্তি পান। মুচলেকায় বলা হয়, জন্তর মন্তর বিক্ষোভস্থল হিসেবে নিষিদ্ধ থাকা পর্যন্ত তারা সেখানে আর কোনো কর্মসূচি আয়োজন করবেন না।

এর আগে গত মাসে দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘তেরঙ্গা’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছিলেন অভিজিৎ দীপকে। এ ঘটনায় তাকেও গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। পরে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পান তিনি। জামিনের অন্যতম শর্ত ছিল, পরবর্তী এক বছর তার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা যাবে না।

এদিকে গত ১ নভেম্বর দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের মিছিলে সমর্থন জানিয়েছিল সিজেপি। তবে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে রামলীলা ময়দানে আয়োজিত সমাবেশে দলটির নেতারা অংশ নেননি।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।