tanaka
প্রচ্ছদজাতীয়দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৩৪০০ কোস্ট গার্ড সদস্য, নজরদারিতে ৬১৫ মন্দির-মণ্ডপ

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৩৪০০ কোস্ট গার্ড সদস্য, নজরদারিতে ৬১৫ মন্দির-মণ্ডপ

শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে ৩ হাজার ৪০০ সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। সংস্থাটির দায়িত্বাধীন চারটি জোনের ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে প্রতিমা বিসর্জনের দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। পাশাপাশি বিসর্জনকালে নৌপথে দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনায় প্রস্তুত রাখা হবে বিশেষ ডুবুরি দল।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূজামণ্ডপ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত টহল বাড়ানোর পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। এ কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে কোস্ট গার্ড।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, চারটি জোনে মোট ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপ নিরাপত্তার আওতায় থাকবে। এর মধ্যে ঢাকা জোনে ৩৭টি, পূর্ব জোনের চট্টগ্রাম এলাকায় ৬৩টি, পশ্চিম জোনের মোংলা এলাকায় ১৪৪টি এবং দক্ষিণ জোনের ভোলায় ৩৭১টি মন্দির ও পূজামণ্ডপ রয়েছে।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা, সাম্প্রদায়িক উসকানি, গুজব ছড়ানো কিংবা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোস্ট গার্ডের সদস্যরা প্রস্তুত থাকবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌপথে দুর্ঘটনা প্রতিরোধেও বিশেষ সতর্কতামূলক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা, যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরা নিশ্চিত করা এবং সাঁতার জানেন না এমন ব্যক্তিদের নৌযানে না ওঠার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রচারণা চালানো হবে।

বিসর্জনস্থলে নৌকাডুবি বা এ ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত থাকবে।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ১৬ অক্টোবর থেকে প্রতিমা বিসর্জনের দিন পর্যন্ত নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা পেতে সংস্থাটির হটলাইন ১৬১১১ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।