tanaka

নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জি-৪-এর

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জি-৪ জোট। ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান নিয়ে গঠিত এই জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা...
প্রচ্ছদজাতীয়গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা, আসামি সংসদ...

গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা, আসামি সংসদ সদস্যসহ তিনজন

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা এসএম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বিয়ের পর থেকেই মরিয়মকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছিল। এসব নির্যাতন ও প্ররোচনার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন তার বাবা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রাতে গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। একই রাতে মরিয়মের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন।

এজাহারে এসএম মাসুম বিল্লাহ উল্লেখ করেন, গত জুনে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। সংসদ সদস্য হওয়ায় গাজী নজরুল তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মকে নিয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন।

মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের প্ররোচনায় গাজী নজরুলের সঙ্গে তার বিয়ে হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বিয়ের পর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা। এ বিষয়ে মরিয়ম বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন বলেও এজাহারে দাবি করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল ইসলাম মরিয়মের বাবাকে ফোন করে দ্রুত তাদের বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি কয়েকজনকে দেখতে পান। পরে বাসার একটি কক্ষে মরিয়মকে ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। মামলায় করা অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।