tanaka

কাউন্সিলর একরাম হত্যা: হাসিনা-কাদেরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

কক্সবাজারের টেকনাফে সাবেক কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি আজ। বৃহস্পতিবার...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে সম্ভাব্য ক্ষতি ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে সম্ভাব্য ক্ষতি ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা

ইরানে সামরিক হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর তেহরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে। ইরানের পক্ষ থেকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, যেখানে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

সংঘাতের প্রভাব দ্রুতই পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় ইউরোপ ও আমেরিকায় জ্বালানি সরবরাহ ও দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

সামগ্রিক হিসাব অনুযায়ী, এ সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতি ২১ হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৫ দশমিক ৬৯ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৩৫২ টাকা ধরে)।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পেন হোয়ার্টন বাজেট মডেলের পরিচালক ও রাজস্ব বিশ্লেষক কেন্ট স্মেটার্সের জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের কারণে মার্কিন অর্থনীতির ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন থেকে ২১০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে। তার বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১১৫ বিলিয়ন ডলার হতে পারে, যদিও সংঘাতের ব্যাপ্তি ও স্থায়িত্বের ওপর তা নির্ভর করবে।

স্মেটার্স বলেন, চলমান উত্তেজনা ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং গ্যাসোলিনের দামে প্রভাব ফেলছে। তবে যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব নির্দিষ্টভাবে নিরূপণ করা কঠিন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধ ব্যয়ের হিসাব করতে গেলে ‘বিকল্প পরিস্থিতি’ বা কাউন্টারফ্যাকচুয়াল বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, ইরান যদি ভবিষ্যতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করত, তবে সম্ভাব্য সামরিক ও অবকাঠামোগত পুনর্গঠনে আরও বেশি ব্যয় হতে পারত।

তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।