tanaka

মোবাইল ফোনে ব্রেন ক্যানসারের ঝুঁকি? ৬৩ গবেষণায় যা জানা গেল

মোবাইল ফোনের বিকিরণে মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন দেশের ৬৩টি গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকরাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ৪০ হাজার টন ডিজেল, জ্বালানি চুক্তিতে নতুন মোড়

রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ৪০ হাজার টন ডিজেল, জ্বালানি চুক্তিতে নতুন মোড়

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জ্বালানির দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর অংশ হিসেবে রাশিয়ার সঙ্গে হওয়া সমঝোতার আওতায় প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে রুশ ডিজেলের একটি চালান। এতে দুই দেশের জ্বালানি বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

২০২২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। ওই নিষেধাজ্ঞার পর এই প্রথম রাশিয়ার কোনো পেট্রোলিয়াম পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, মাল্টার পতাকাবাহী ‘আজিওই ফানেন্দেস’ নামের একটি ট্যাংকার গত ২২ অক্টোবর রাশিয়ার প্রিমোরস্ক বন্দর থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। আগামী ৭ নভেম্বর জাহাজটির যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে চালানটির ক্রেতা ও বিক্রেতার পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের জরুরি মজুত থেকে জ্বালানি সরবরাহ না করলে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকিও দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া প্রথম ধাপে ৩ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করবে। এরপর নভেম্বরে আরও ৫ লাখ মেট্রিক টন এবং পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত ১০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ক্রেমলিনও প্রথম জাহাজটির যাত্রা শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার পর এতদিন রাশিয়া মূলত তুরস্ক, ব্রাজিল ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ডিজেল রপ্তানি করে আসছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন এই সমঝোতার ফলে রাশিয়া ডিজেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিজস্ব নিষেধাজ্ঞাও তুলে নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রুশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। তবে এই চুক্তি মার্কিন জ্বালানির বাজারে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে সরবরাহের ধারাবাহিকতা ও বাস্তবায়নের ওপর।

সূত্র: রয়টার্স