tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকবিদেশি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুযোগে ১ লাখ ডলার ফি আরোপের চিন্তা ট্রাম্প প্রশাসনের

বিদেশি শিক্ষার্থীদের চাকরির সুযোগে ১ লাখ ডলার ফি আরোপের চিন্তা ট্রাম্প প্রশাসনের

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর দেশটিতে চাকরির সুযোগ নিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় অঙ্কের ফি আরোপের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, বিদেশি গ্র্যাজুয়েটদের কাছ থেকে ১ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা) পর্যন্ত ফি নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি, উচ্চশিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক মেধাবীদের যুক্তরাষ্ট্রে ধরে রাখার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এতে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে, কারণ বিপুলসংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী উচ্চ টিউশন ফি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন।

বর্তমানে ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ (ওপিটি) ব্যবস্থার আওতায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করার পর নিজেদের ক্ষেত্র অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগ পান। এই সময়ের মধ্যেই অনেক শিক্ষার্থী এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ার চেষ্টা করেন। দেশটির প্রযুক্তি ও আর্থিক খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও ওপিটির মাধ্যমে দক্ষ বিদেশি গ্র্যাজুয়েটদের নিয়োগ দিয়ে থাকে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ৪ লাখ ১৯ হাজার আন্তর্জাতিক গ্র্যাজুয়েট ওপিটি সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেছেন। প্রস্তাবিত ১ লাখ ডলারের ফি কার্যকর হলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার আগ্রহ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন নির্দিষ্ট কিছু এইচ-১বি ভিসা আবেদনকারীর ওপর ১ লাখ ডলার ফি আরোপের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরোধিতা এবং আদালতের হস্তক্ষেপের কারণে সেই উদ্যোগ বাধার মুখে পড়ে। পরে এই ফি কাঠামোর আওতা সীমিত করা হয়।

এইচ-১বি ভিসা নিয়ে আগের উদ্যোগ সফল না হওয়ার পর এবার ওপিটি ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে নতুন পরিকল্পনা সামনে আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়নি।