tanaka

নতুন পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নির্ধারণ শুরু কাল, ২০ অক্টোবর পর্যন্ত

নতুন পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম। এরপর প্রায় তিন মাসের বকেয়া বেতন একসঙ্গে পরিশোধ করা হবে।
প্রচ্ছদশিক্ষাঙ্গনবাকৃবি প্রশাসনের ডাকে আসেনি শিক্ষার্থীরা, অনিশ্চিত ক্যাম্পাস-হল খোলার সিদ্ধান্ত

বাকৃবি প্রশাসনের ডাকে আসেনি শিক্ষার্থীরা, অনিশ্চিত ক্যাম্পাস-হল খোলার সিদ্ধান্ত

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গতরাতে টানা ৪ ঘন্টা ফলপ্রসূ আলোচনা হলেও শেষতক প্রশাসনের ডাকে আসেনি শিক্ষার্থীরা। এতে অনির্দ্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করা ক্যাম্পাস ও হলসমূহ খোলার বিষয়ে ফের অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো শহীদুল হক এবং আন্দোলন কর্মী এহসানুল হক হিমেলের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে শিক্ষার্থী আন্দোলন ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আলোচনায় বসেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। টানা ৪ ঘন্টার ওই বেঠকে দুই পক্ষের আলোচনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খুলে বন্ধের আদেশ প্রত্যাহারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আজ (বুধবার) জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের ডাকে শিক্ষার্থীরা না আসায় সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রস্তাবনা তৈরী করা সম্ভব হয়নি। ফলে সিন্ডিকেট সভাটি নিয়ে অনিশ্চিয়তা তৈরী হয়েছে।
খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো শহীদুল হক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, গতকাল শিক্ষার্থীদের সাথে দীর্ঘ আলোচনায় যেসব সিদ্ধান্ত ও দাবিতে আমরা একমত হয়েছিলাম। সেগুলো লিখিত আকারে সিন্ডিকেটে উত্থাপন করতে হবে। কিন্তু সেই লিখিত পত্রে স্বাক্ষর করতে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের বলা হলেও তারা এখনও আসেননি। আমরা দীর্ঘক্ষণ ধরে তাদের জন্য অপেক্ষা করছি। এমতাবস্থায় সিন্ডিকেট মিটিংয়ে লিখিত কোনকিছু পেশ করার সুযোগ না থাকায়, আজ সিন্ডিকেট মিটিং আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ড. শহীদুল হক আরও বলেন, যেহেতু সিন্ডিকেট মিটিং হয়নি, সুতরাং গতকাল রাতে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের কোন কার্যকরিতা থাকবে না। ফলে কর্তৃপক্ষ চাইলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো বন্ধের আদেশ প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়নি। কারণ সিন্ডিকেট সভা না হওয়া পর্যন্ত এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন শৃঙ্খলার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে ন্যস্ত।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আন্দোলনে কর্মী এহসানুল হক হিমেল বলেন, স্যাররা আমাদের সাথে এবিষয়ে কথা বলেছিলেন, আমরা মঙ্গলবার মিটিংয়ে যারা উপস্থিত ছিলাম তাদের সবাই স্বাক্ষর করেছি, তাহলে আবার নতুন করে কেন স্বাক্ষর করতে হবে। তাই আমরা তাদের কথার সাথে এখন আর একমত নই। ফলে পরবর্তী কী কর্মসূচি গ্রহন করা হবে, তা জানানো হবে সবার সাথে আলোচনার মাধ্যমে।
এর আগে গতকাল শিক্ষার্থীদের সাথে প্রশাসনের আলোচনায় ৪টি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। সেগুলো হলো- সিন্ডিকেট মিটিংয়ের মাধ্যমে হল বন্ধের নোটিশ প্রত্যাহার, আন্দোলনরত কোনো শিক্ষার্থী (সকল ফ্যাকাল্টির) ভবিষ্যতে কোনো প্রকার একাডেমিক বা প্রশাসনিক হেনস্থার শিকার হবে না মর্মে প্রশাসন কর্তৃক লিখিত স্টেটমেন্ট দেওয়া, আগামী ৭ দিনের মধ্যে ক্লাস ও পরীক্ষা পুনরায় শুর করা এবং আগামীকাল বিকাল ৫টার মধ্যে লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করা।