tanaka

বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি: জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণকে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। অর্থনৈতিক কূটনীতি সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা এবং সার্ক পুনরুজ্জীবনও রয়েছে এ নীতির আলোচনায়।
প্রচ্ছদজাতীয়প্রাথমিক স্তরের শতভাগ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ সম্পন্ন

প্রাথমিক স্তরের শতভাগ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ সম্পন্ন

মহান বিজয় দিবসের প্রাক্কালে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চলতি শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি) শতভাগ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের দাবি, বিগত কয়েক বছরের ইতিহাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বৃহৎ ও জটিল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হওয়া একটি বিরল ও অনন্য দৃষ্টান্ত। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ও সার্বিক তদারকির পাশাপাশি এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত সব পক্ষ—মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান, পরিবহন সংস্থা এবং এনসিটিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস শ্রম, নিষ্ঠা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

এর ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই দেশের প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম হয়েছে। শিক্ষাবর্ষ শুরুর পূর্বেই প্রায় সাড়ে আট কোটিরও বেশি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও প্রস্তুত করা ছিল অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং একটি কার্যক্রম। এ অর্জন সরকারের শিক্ষাবান্ধব নীতি এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে অটল প্রতিশ্রুতির সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

এ উদ্যোগ প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি সংস্থা, মুদ্রণ ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং এনসিটিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাদারিত্ব ও ঐকান্তিক নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে।

এনসিটিবির এই উল্লেখযোগ্য সাফল্য উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ দেশের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে। এই সাফল্য বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও মানসম্মত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।