এ প্রথমবারের মতো শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে ঢাকার বাইরে কর্মসূচি ঘোষণাও দিয়েছে তারা। দলগুলোর দাবি—জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে সরকার নয়, জনগণই হবে তাদের পথের সঙ্গী।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ ও জুলাই সনদ অনুযায়ী সরকার গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে আয়োজনের সিদ্ধান্ত জানালেও এতে অসন্তুষ্ট জামায়াতসহ আট দল। তবে গণভোট যেদিনই হোক, রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করতেই তারা এখন তৎপর।
হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জনমত তৈরিতে সাত বিভাগীয় শহরে সাত দিনব্যাপী সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে আট দল। ৩০ নভেম্বর শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে প্রথমবার একই মঞ্চে দেখা যাবে আট দলের শীর্ষ নেতাদের।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিভাগীয় শহরগুলোতে আট দলের প্রথম প্রকাশ্য সমাবেশ হচ্ছে। সেখানে আমরা জনগণকে বলব—সংস্কারের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা চিরতরে বন্ধ করার সুযোগ এসেছে; তাই আপনারা হ্যাঁ ভোট দিন।”
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমাদ বলেন, “গণভোট হবেই—নির্বাচনের দিন হোক, আগে হোক বা পরে। আমরা বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে জনগণকে সংস্কারের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিতে উৎসাহিত করব। হ্যাঁ ভোট বিজয়ী না হলে সংস্কার হবে না, আর তাতে আগের ফ্যাসিবাদী পরিস্থিতি ফিরে আসার ঝুঁকি থাকবে।”
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস বলেন, “হ্যাঁ ভোটের সুফল এবং না ভোটের সম্ভাব্য ক্ষতি জনগণকে বোঝাতে এসব সমাবেশ জরুরি।”
দলগুলোর প্রত্যাশা—শেষ মুহূর্তে হলেও জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক উদ্যোগ নেবে।



