ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, হামলা প্রতিহত করতে তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।আইডিএফ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেছে, মোবাইল ফোন বা সাইরেনের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পেলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে। নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার পর ইরানের রাজধানী তেহরান এবং তাবরিজ ও ইসফাহান শহরে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।এই হামলা এমন সময় চালানো হলো, যখন ইরান উত্তর ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। নতুন হামলার আগে ইরান রবিবার রাতে ইসরায়েলের দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ইরানের অভিযোগ, লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে।
তেহরানের হুঁশিয়ারি ছিল, দক্ষিণ লেবাননে চলমান হামলা বন্ধ না করলে ইসরায়েলকে আরো হামলার মুখে পড়তে হবে।স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই হামলার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের রামাট ডেভিড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, দক্ষিণ লেবাননের টাইর ও নাবাতিয়েহ অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের হত্যাকাণ্ড ও বাস্তুচ্যুতির জবাব হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল আবার হামলা চালালে ইরানের প্রতিক্রিয়া বড় হবে এবং এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুও এর আওতায় আসতে পারে।



